সমাজকল্যাণ ও সমাজ সংস্কারে শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হকের অবদান

সমাজকল্যাণ ও সমাজ সংস্কারে শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হকের অবদান, Describe the contribution of K Fazlul Haque Social welfare and social reform
Follow Our Official Facebook Page For New Updates


Join our Telegram Channel!

সমাজকল্যাণ ও সমাজ সংস্কারে শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হকের অবদান বর্ণনা কর। Describe the contribution of K Fazlul Haque Social welfare and social reform. অথবা, বাংলার কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে শেরে বাংলার অবদান কি ছিল? অথবা, শ্রমিকদের কল্যাণ সাধনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অবদান বর্ণনা কর।

সমাজকল্যাণ ও সমাজ সংস্কারে শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হকের অবদান

 

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (২২১৯০১)

উত্তরঃ ভূমিকা: 

ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বিশাল ব্যক্তিত্ব শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। রাজনৈতিক, শিক্ষা, নিপীড়িত ও শোষিত জনগণের মুক্তিদাতা প্রভৃতি ক্ষেত্রে তিনি যে অবদান রেখে গিয়েছেন তা বাংলার তথা ভরতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে তাকে অমরত্ব দান করেছে। 

সময় কোনো কোনো মানুষকে সৃষ্টি করে। আবার কেউ কেউ এক একটি বিশেষ সময়ের জন্য জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সাহসী সৈনিকের মতো জনগণের আকাঙ্কাকে বুঝাতে পেরেছিলেন এবং তাদের প্রিয় নেতা হিসেবে স্ব-শ্রেণিতে অবস্থান করেই স্বীয় ভূমিকা এবং কর্তব্য নির্ধারণ ও পালনে সক্ষম হয়েছিলেন।

শেরে বাংলার কর্মধারা

সুদীর্ঘ ঘটনাবহুল জীবনে শেরে বাংলা ফজলুল হক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আদর্শের যে পরিচয় ফুটে ওঠে তার মধ্যে সময়ের ধারাবাহিকতায় তাকে প্রধানত চারটি খাতে প্রবহমান দেখতে পাওয়া যায় । 

প্রথমত : তিনি মুসলমানদের শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে এদেশে একটি মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠনের চেষ্টা চালান। 

দ্বিতীয়ত : তিনি জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটানোর চেষ্টা করেন।

তৃতীয়ত : তিনি মহাজনী তথা জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের সপক্ষে আন্দোলন গড়ে তোলেন। 

চতুর্থ : তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক অর্থাৎ সাম্প্রদায়িকতার বিরোধী।

১. রাজনীতিতে অবদান: 

নির্দিষ্ট আদর্শ ও লক্ষ্যকে সমানে রেখে ফজলুল হক রাজনৈতিক জীবন শুরু করে। মানব স্বাধীনতা ও নিয়মতান্ত্রিক শাসনের প্রতি তাঁর অবিচল আস্থা ছিল। তবে তিনি বিশ্বাস করতেন বিদ্যমান শ্রেণিভিত্তিক ব্যবস্থার আমূল সংস্কার ব্যতীত গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সার্থক হতে পারে না। তিনি বিশ্বাস করতেন, মুসলিম সম্প্রদায়কে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ রেখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের প্রবক্তা। 

ফজলুল হকের মতে, গণতন্ত্র হলো "In a democracy the government of the people by the people must be the government of all the people by all the people, not the people." অর্থাৎ গণতন্ত্রে, জনগণ দ্বারা গঠিত জনগণের সরকার হতে হবে সকল মানুষের দ্বারা গঠিত সরকার। জনগণের একাংশের সরকার জনগণের সরকার হয় না।” তাছাড়া এদেশের কৃষকদের মুক্তি ও তাদের রাজনীতি সচেতন করার জন্য ১৯২২-৩৮ সাল পর্যন্ত কৃষক – প্রজা আন্দোলন সৃষ্টি ও পরিচালনা করেছিলেন। 

১৯২৮ ও ২৯ সালে মুসলিম লীগ সফল করার ক্ষেত্রে তাঁর - অবদান অনেকখানি। তিনি ১৯৩৪ সালে লক্ষীনিরঞ্জন সরকারকে পরাজিত করে কলিকাতার মেয়র নির্বাচিত হন। ১৯৩৫ সালে লক্ষ্ণৌতে অনলবর্ষী উর্দু ভাষায় বক্তৃতার জন্যে তাকে “শেরে বাংলা উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ১৯৩৭ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন এবং মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব পেশ করেন। ১৯৫৫ সালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এভাবে তিনি এদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।

২. শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। ১৯২৪ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকবার মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় প্রতিবারই তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নিজ দায়িত্বে রেখেছিলেন। ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত "মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের" অন্যতম সংগঠক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। 

১৯১২ সালের বঙ্গীয় আইন পরিষদে উত্থাপিত "শিক্ষা পরিকল্পনা বিল" এদেশে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯১২ সালে তিনি মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বাংলার গভর্নরের কাছ থেকে বৃত্তি ও আর্থিক সাহায্যের জন্য "সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এডুকেশনাল এসোসিয়েশন” গড়ে তোলেন। কলকাতায় “কারমাইকেল ও টেলর হোস্টেল" নির্মাণে ফজলুল হকের সক্রিয় সহযোগিতা ছিল।

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি নেতৃস্থানীয় উদ্যোক্তার ভূমিকা পালন করেন। ১৯২৪ সালে ফজলুল হক শিক্ষামন্ত্রী নিযুক্ত হয়ে কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজ এবং মুসলমান ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সাহায্য দানের জন্য” মুসলিম এডুকেশনাল ফান্ড” গঠন করেন। ১৯৩৭ সালে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকার প্রাক্কালে মুসলমান মেয়েদের জন্য "লেডী ব্রাবোর্ণ কলেজ" স্থাপন করেন। তাঁর আমলেই স্কুল ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের বিল আনীত হয়। সুতরাং বলা যায়, শিক্ষাক্ষেত্রে এ কে ফজলুল হকের অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

→ কৃষক শ্রমিকদের কল্যাণে ফজলুল হকের অবদান

ব্রিটিশ শাসনামলে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কৃষকদের কল্যাণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন। এ জন্য তাকে কৃষক প্রজাকুলের মুক্তির দূতও বলা হয়। কৃষক-শ্রমিকের কল্যাণে তাঁর অবদানসমূহের বর্ণনা নিম্নে দেয়া হলো

১. কৃষক আইন পাস: 

ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার কৃষকরা খাজনা দেয়ার জন্য তাদের সম্পত্তি মহাজনদের কাছে বন্ধক দিয়ে টাকা ধার নিত। মহাজনরা ঐ ঋণের ওপর প্রচুর সুদ চাপাত এবং চক্রবৃদ্ধি হারে এ সুদের হার বাড়াতো এবং কৃষকরা এ ঋণ শোধ করতে পারতো না। ফলে মহাজনরা তাদের ভিটেবাড়ি সব গ্রাস করে নিত। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের প্রচেষ্টায় ১৯১৩ সালের ৪ এপ্রিল কৃষক ঋণ আইন পাস হয়। যার ফলে কৃষকরা জমিদার, জোতদার ও মহাজনদের হাত থেকে মুক্তি পায়। 

২. প্রজাস্বত্ব আইন পাস: 

বাংলার কৃষক শ্রেণি যখন জমিদার, জোতদার ও মহাজনদের অত্যাচার ও শোষণে দিশেহারা তখন ফজলুল হক ১৯২৮ সালে প্রজাস্বত্ব আইন পাস করেন এবং ১৯৩৭ সালে এ আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রজাদের স্বত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

৩.কৃষক প্রজা আন্দোলন: 

ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার কৃষকরা জমির মালিকানা থেকে বঞ্চিত ছিল। অশিক্ষিত ও অবহেলিত কৃষকদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ করে ১৯১৫ সালে বাখেরগঞ্জে নিখিল প্রজা সমিতি গঠন করে কৃষক-প্রজার স্বার্থ আদায়ের জন্য এ আন্দোলন সূচনা হয়েছিল। 

৪. কৃষক প্রজা পার্টি গঠন: 

তিনি বাংলার কৃষক সমাজকে জমিদার, জোতদার ও মহাজনদের শাসন-শোষণের হাত থেকে রক্ষার জন্য ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯২৭ সালে কৃষক প্রজা পার্টি গঠন করেন।

৫. ঋণ সালিসি বোর্ড: 

মহাজনদের শোষণ থেকে কৃষকদেরকে রক্ষার জন্য ১৯৩৭ সালে তিনি “বঙ্গীয় কৃষি ঋণ আইন” পাস করেন যার অধীনে ১৯৩৮ সালে ঋণ সালিসি বোর্ড গঠিত হয়। যাতে প্রায় আট কোটি প্রজা ঋণমুক্ত হয়। 

৬. জমিদারি উচ্ছেদ আইন পাস: 

জমিদারদের অত্যাচারের জন্য শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তারই প্রচেষ্টায় ব্রিটিশ সরকার “প্লাউড কমিশন” গঠন করে। এ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন পাস হয়।

উপসংহার: 

পরিশেষে বলা যায় যে, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের কর্মময় জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত এবং পদক্ষেপই মানবসেবাই উৎসর্গীকৃত ছিল। তিনি ছিলেন জনদরদী হৃদয়বান মানুষ। তাঁর রাজনীতি কখনও হিংসাত্মক বা ষড়যন্ত্রমূলক ছিল না। 

তিনি বাংলার দুঃস্থ মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তাই তো তাকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে বিচারপতি রাধিকা রঞ্জন গুহ বলেন, ফজলুল হক আমেরিকায় জন্ম নিলে হতেন ওয়াশিংটন। বিলেতে জন্ম নিলে হতেন ডিসরেলী, রাশিয়ায় জন্ম নিলে হতেন লেলিন এবং ফ্রান্সে জন্ম নিলে হতেই রুশো কিংবা নেপোলিয়ন।" এ মহান পুরুষ ১৯২৬ সালে পরলোকগমন করেন।


English Version


Answer: Introduction:

Sher Bangla AK Fazlul Haque is a great figure in the political history of the Indian subcontinent. His contributions in political, educational, liberating the oppressed and exploited people etc. have given him immortality in the history of Bengal and the Indian subcontinent. 

Time makes some people. Some are born for a particular time. But Sher Bangla AK Fazlul Haque was able to understand the aspirations of the people like a brave soldier according to the needs of the times and was able to define and fulfill his role and duties by standing in his own class as their beloved leader.
Procedure of Shere Bangla:

Sher Bangla Fazlul Haque was involved in various activities in his long and eventful life. In the continuity of time in the identity of ideals that emerges through his activities, he can be seen mainly flowing in four sectors.

First: He tried to create a Muslim middle class in this country by spreading the education of Muslims.

Second: As a nationalist leader, he tried to eradicate Bengali nationalism.

Third: He started a movement in favor of the abolition of Mahajani and Zamindari system.

Fourth: He was non-communal, i.e. opposed to communalism.

1. Contribution to Politics:

Fazlul Haque started his political career with certain ideals and goals in mind. He had a firm belief in human freedom and orderly rule. But he believed that democracy and freedom cannot be achieved without radical reform of the existing class system. He believed that communal harmony could not be established by keeping the Muslim community backward in terms of education and economy. 

He was a proponent of democracy. According to Fazlul Haque, democracy is "In a democracy the government of the people by the people must be the government of all the people by all the people, not the people." That is, in a democracy, a government of the people by the people should be a government by all the people. 

A government of a section of the people is not a government of the people.” Moreover, he created and managed the Peasant-Praja movement from 1922-38 to emancipate the farmers of this country and make them aware of their politics. His contribution in making the Muslim League successful in 1928 and 1929 was immense. 

He was elected Mayor of Calcutta in 1934 defeating the Lakshiniranjan government. In 1935, he was awarded the title of "Shere Bangla" for his first-year speech in Urdu in Lucknow. After winning the election in 1937, he formed the cabinet and served as the Chief Minister. In 1940 he presented the Lahore proposal. In 1955 he served as Home Minister in the Union Cabinet. Thus he established the political rights of the people of this country.

2. Contribution to Education:

Sher Bangla AK Fazlul Haque has left a special contribution in the field of education. Being minister or chief minister several times from 1924 to 1943, he kept the education ministry in his charge each time. Sher Bangla AK Fazlul Haque was one of the organizers of the "Muslim Education Conference" held in Dhaka in 1906. The "Education Planning Bill" introduced in the Bengal Legislative Council in 1912 played an important role in the expansion of education in the country. 

In 1912, he formed the "Central National Mohammedan Educational Association" for scholarship and financial assistance from the Governor of Bengal for Muslim students. Fazlul Haque was actively involved in the construction of the "Carmichael and Taylor Hostel" in Calcutta. In 1921, he played the role of leading entrepreneur in the establishment of Dhaka University. In 1924, Fazlul Haque was appointed as the Minister of Education and established the Islamia College in Calcutta and the "Muslim Educational Fund" to provide financial assistance to Muslim students. 

On the eve of becoming the Chief Minister of Bengal in 1937, she established "Lady Brabourne College" for Muslim girls. It was during his tenure that the Bill for the formation of the School and Secondary Education Board was brought. So it can be said that the contribution of AK Fazlul Haque in the field of education is very important.

→ Contribution of Fazlul Haque to the welfare of agricultural workers:

AK Fazlul Haque took various steps for the welfare of the farmers of Shere Bengal during the British rule. For this reason, he is also called the ambassador of liberation of peasants. His contributions to the welfare of farmer-labourers are described below

1. Farmers Act Passed:

During the British rule, farmers in Bengal used to mortgage their property to moneylenders to borrow money to pay rent. The moneylenders charged huge interest on the loan and compounded the interest rate and the farmers could not repay the loan. As a result, moneylenders used to consume all their houses. The Farmers Loan Act was passed on April 4, 1913 through the efforts of AK Fazlul Haque of Sher Bengali. As a result the farmers were freed from the hands of zamindars, jotdars and moneylenders.

2. Tenancy Act passed:

When the peasant class of Bengal was disoriented by the oppression and exploitation of zamindars, jotdars and moneylenders, Fazlul Huque passed the Tenancy Act in 1928 and in 1937, through the amendment of this Act, the ownership of the subjects was re-established.

3. Peasant Movement:

During the British rule, the farmers of Bengal were deprived of land ownership. This movement was started for the development of uneducated and neglected farmers especially in 1915 by forming the Nikhil Praja Samiti in Bakherganj to realize the interests of the farmers and the people.

4. Formation of Peasant People's Party:

He formed the Krishak Praja Party in 1927 to protect the peasant society of Bengal from the rule and exploitation of zamindars, jotdars and financiers.
5. Debt Arbitration Board:
To protect farmers from exploitation by moneylenders, he passed the "Bengal Agricultural Credit Act" in 1937 under which the Debt Arbitration Board was formed in 1938. So that about eight crore people are debt free.

6. Zamindari Eviction Act passed:

AK Fazlul Haque in Sher-e-Bangla for the tyranny of the zamindars, as a first step to abolish the zamindari system, the British government formed the "Plaud Commission" through his own efforts. Based on the recommendations of this committee, the Abolition of Zamindari Act was passed in 1950.

Conclusion:

Finally it can be said that every moment and every step of the working life of Sher Bangla AK Fazlul Haque was dedicated to human service. He was a kind hearted person. His politics were never violent or conspiratorial. He was engaged in the service of the poor people of Bengal. 
So while evaluating him, Justice Radhika Ranjan Guha said, "If Fazlul Haque was born in America, he would have been in Washington." Disraeli would have been born in Belgium, Lelin would have been born in Russia and Rousseau or Napoleon would have been born in France." This great man passed away in 1926.

1 comment

  1. আপনার এই পোস্টটি সবচেয়ে ভালো হয়েছে। যদি আপনি আমার একটা পোস্ট পড়তে তাহলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। 🙏 পিকচার valo-kobita.com
Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.