কুতুবউদ্দিন আইবেক এর জীবনী ও তার কৃতিত্ব ও চরিত্র

কুতুবউদ্দিন আইবেক এর জীবনী ও তার কৃতিত্ব ও চরিত্র, সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের জীবনী লিপিবদ্ধ কর। অতঃপর তাঁর কৃতিত্ব ও চরিত্র বর্ণনা কর
Follow Our Official Facebook Page For New Updates


Join our Telegram Channel!

কুতুবউদ্দিন আইবেক এর জীবনী ও তার কৃতিত্ব ও চরিত্র:

কুতুবউদ্দিন আইবেক

প্ৰশ্ন : সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের জীবনী লিপিবদ্ধ কর। অতঃপর তাঁর কৃতিত্ব ও চরিত্র বর্ণনা কর। অথবা, সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের জীবনী আলোচনা কর এবং ভারতবর্ষ শাসনে তাঁর অবদান উল্লেখ কর ।

উপস্থাপনা : 

ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে কুতুবউদ্দিন আইবেক এক অবিস্মরণীয় নাম। মুহাম্মদ কুতুবউদ্দিন আইবেক ভারতে মুহাম্মদ ঘুরী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মুসলিম শাসন মজবুত ভিত্তির ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ছিলেন দিল্লি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ। 

একজন বীরযোদ্ধা, প্রশাসনিক প্রতিভাসম্পন্ন, প্রজাহিতৈষী, উদার, ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে আইবেক ইতিহাসে বিখ্যাত। ঈশ্বরীপ্রসাদের মতে— Aibek was a powerful and capable ruler always maintained high character.

কুতুবউদ্দিন আইবেকের জীবনী:

 ১. প্রাথমিক জীবন : 

ভারত উপমহাদেশে তুর্কি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং দিল্লি সালতানাতের প্রথম সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক জাতিতে ছিলেন তুর্কি এবং তুর্কিস্তানের অধিবাসী। শৈশবে তিনি এক ক্রীতদাস ব্যবসায়ী কর্তৃক পারস্যের নিশাপুর নামক স্থানে আনীত হন।

 নিশাপুরের কাযী ফখরুদ্দীন আবদুল আযীয কুফী তাঁকে স্বল্প মূল্যে ক্রয় করেন। কাযী পরিবারেই কুতুবউদ্দিন সাহিত্য, . ধর্মশাস্ত্র এবং সামরিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ওঠেন।

২. মুহাম্মদ ঘুরীর অধীনে : 

কাযীর মৃত্যুর পর কুতুবউদ্দিন পুনরায় ক্রীতদাসরূপে বিক্রীত হলে মুহাম্মদ ঘুরী তাঁকে ক্রয় করেন। তাঁর আনুগত্য, সাহসিকতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, বদান্যতা ইত্যাদি গুণে বিমুগ্ধ হয়ে মুহাম্মদ ঘুরী তাঁকে আমীরে আকুর (আস্তাবল প্রধান) পদে নিযুক্ত করেন। 

মুহাম্মদ ঘুরীর ভারত অভিযানকালে কুতুবউদ্দিন প্রভুর সাথে সকল যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং অপরিসীম প্রতিভার পরিচয় দেন।

৩. মুহাম্মদ ঘুরীর প্রতিনিধিত্ব : 

১১৯২ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয় লাভ করার পর মুহাম্মদ ঘুরী তাঁর বিশ্বস্ত অনুচর কুতুবউদ্দিন আইবেককে বিজিত অঞ্চলসমূহের শাসনভার এবং ভারত অভিযানের গুরুদায়িত্ব অর্পণ করে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

৪. বিজয় অভিযানসমূহ : 

প্রভুর অনুগত প্রতিনিধি হিসেবে কুতুবউদ্দিন ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে হানসি, মিরাট, কোল, দিল্লি ও রণথম্ভোর অধিকার করেন। অতঃপর তিনি লাহোর হতে দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তর করেন। ১১৯৪ খ্রিস্টাব্দে ঘুরী কনৌজের রাজা জয়চন্দ্রের বিরুদ্ধে অগ্রসর হলে কুতুবউদ্দিন তাঁকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করেন। 

১১৯৭ খ্রিস্টাব্দে কুতুবউদ্দিন দ্বিতীয় ভীম দেবকে পরাজিত করে গুজরাট অধিকার করেন। ১১৯৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি কনৌজ, বাদাউন, চাঁদোয়ার এবং ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে কালিঞ্জর ও মাহোবা প্রভৃতি স্থান অধিকার করেন। এদিকে তাঁর সুদক্ষ সেনানায়ক মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী বাংলা বিজয় সম্পন্ন করেন।

৫. দিল্লির সুলতান নিযুক্ত:

মৃত্যুর পূর্বেই মুহাম্মদ ঘুরী কুতুবউদ্দিনকে তাঁর ভারত রাজ্যের উত্তরাধিকারী মনোনীত করে 'মালিক' উপাধিতে ভূষিত করেন। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৪শে জুন ঘুরীর মৃত্যুর তিন মাস পর আনুষ্ঠানিকভাবে কুতুবউদ্দিনের রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন হয়। এ সময় হতেই দিল্লির সুলতানি শাসনের ইতিহাস আরম্ভ হয়। 

৬. স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা : 

১২০৮ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ ঘুরীর ভ্রাতুষ্পুত্র এবং উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ঘুর সাম্রাজ্যের অধিপতি গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ কুতুবউদ্দিন আইবেককে এক রাজকীয় ফরমানে সুলতান উপাধি দান করে দাসত্ব মুক্তির ছাড়পত্র প্রদান করেন । এভাবে তিনি দিল্লিতে স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন। 

৭. আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপন : 

স্বাধীন সুলতান হিসেবে দিল্লির মসনদে সমাসীন হওয়ার পর তিনি ঘুরীর বিশিষ্ট অনুচরবর্গের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি স্বীয় কন্যা ও বোনকে যথাক্রমে বদাউনের শাসনকর্তা ইলতুৎমিশ এবং মুলতান ও উচের শাসনকর্তা নাসিরউদ্দিন কুবাচার সাথে বিবাহ দেন। 

আর নিজে কিরমানের শাসনকর্তা তাজউদ্দীনের কন্যাকে বিবাহ করেন। এভাবে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে স্বীয় ক্ষমতা সুপ্রতিষ্ঠিত করতে মনস্থ করেন।

৮. কুতুবউদ্দিনের মৃত্যু : 

১২১০ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে লাহোরে চৌগান বা পোলো খেলার সময় আকস্মিকভাবে অশ্বচ্যুত হয়ে কুতুবউদ্দিন আইবেক গুরুতরভাবে আহত হন। উক্ত আঘাতেই তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

কুতুবউদ্দিন আইবেকের কৃতিত্ব:

১. শ্রেষ্ঠ সেনাপতি : 

কুতুবউদ্দিন আইবেক ছিলেন ইতিহাসের একজন শ্রেষ্ঠ সেনাপতি। তিনি ভারতের বিভিন্ন অংশে সামরিক বিজয় লাভের মাধ্যমে বিশাল . সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। সামরিক ও প্রশাসনিক প্রতিভার কারণে মুহাম্মদ ঘুরী তাঁকে নিজের উত্তরসূরি মনোনীত করেন। 

তাঁর সামরিক প্রতিভার প্রশংসা করে ড. হাবীবুল্লাহ বলেন - A military leader of great energy and high merit, he combined the intrepidity of the Turky with the refined taste and generosity of the person.

২. ভারতে প্রথম মুসলিম প্রশাসক : 

কুতুবউদ্দিন আইবেক ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন করেন। ড. এ. এল শ্রীবাস্তব বলেন, আইবেক ছিলেন ভারতে তুর্কি সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রায় সমগ্র হিন্দুস্থানের কার্যত প্রথম সুলতান ।

৩. শ্রেষ্ঠ শাসক : 

কুতুবউদ্দিন আইবেক ছিলেন একজন সুযোগ্য শাসক। 'তাজুল মাসীর' গ্রন্থ প্রণেতা হাসান নিযামী বলেন, সুলতান নিরপেক্ষভাবে বিচারকার্য সম্পন্ন করতেন এবং রাজ্যের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেন। 

তাঁর শান্তিময় রাজত্বকালে ধনাগারে কোনো প্রহরীর দরকার ছিল না.....চোর ও চৌর্যবৃত্তির কোনো প্রশ্নই উঠতে পারতো না।

৪. ভারত অভিযান : 

মুহাম্মদ ঘুরীর ভারত অভিযানের সময় কুতুবউদ্দিন সর্বদা তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং মুলতান, সিন্ধু, পাঞ্জাব ও পৃথ্বিরাজের বিরুদ্ধে ঘুরীর বিজয়ে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।

৫. রাজ্য বিস্তার: 

মুহাম্মদ ঘুরীর প্রতিনিধি হিসেবে কুতুবউদ্দিন ভারতে রাজ্য বিস্তারে সুদৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি হিন্দু রাজ্য হানসি, সামানা, আজমীর, মিরাট, দিল্লি, কনৌজ, গুজরাট, বাদায়ুন, কালিঞ্জর প্রভৃতি অধিকার করেন।

৬. সুলতান উপাধি : 

১২০৬ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ ঘুরী নিহত হলে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র গিয়াসউদ্দিন, মুহাম্মদ কুতুবউদ্দিনকে সুলতান উপাধি প্রদান করে এক ফরমান জারি করেন। ফলে তিনি স্বাধীন সুলতান হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন ।

৭. সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব বিধান : 

কুতুবউদ্দিন নিজ বিচক্ষণতা, সমরকৌশল ও ন্যায়পরায়ণতার দ্বারা বহিঃশত্রুর মোকাবেলা, বিদ্রোহ দমন, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন প্রভৃতির সাহায্যে সাম্রাজ্যকে নিরাপদ, শক্তিশালী ও উন্নত করে গড়ে তোলেন।

৮. উন্নত সামরিক সংগঠন : 

ঐতিহাসিক ফিরিশতার মতে, সামরিক ক্ষেত্রে তাঁর কৃতিত্ব ছিল অবিস্মরণীয়। সৈন্যবাহিনী গঠন, প্রশিক্ষণ প্রদান, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ ইত্যাদির মাধ্যমে তিনি সামরিক বাহিনী গড়ে তোলেন। 

৯. উন্নত প্রশাসন : 

মাত্র চার বছরের সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে কুতুবউদ্দিন আইবেক মোটামুটি উন্নত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি পূর্ববর্তী রাজস্ব ব্যবস্থা ও স্থানীয় শাসনভার কর্মচারীদের ওপর ছেড়ে দেন। প্রাদেশিক রাজধানীসমূহে সেনাধ্যক্ষ ও কাযীর মাধ্যমে শাসনকার্য চালাতেন ।

১০. উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও স্বাধীনচেতা : 

কুতুবউদ্দিন ছিলেন উচ্চাভিলাষী ও স্বাধীনচেতা সুলতান। সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা ও এর বিরুদ্ধে আক্রমণমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে তিনি সদাসর্বদা সচেতন থাকতেন । 

১১. স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক : 

তিনি ছিলেন স্থাপত্য শিল্পের উদার পৃষ্ঠপোষক। দিল্লির কুওয়াতুল ইসলাম মসজিদ, বিখ্যাত কুতুব মিনার, আজমিরে আড়াই দিনকা ঝোপড়া মসজিদ ইত্যাদি তাঁর শিল্প স্থাপত্যের প্রতি পৃষ্ঠপোষকতার প্রমাণ বহন করে।

১২. সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক : 

কুতুবউদ্দিন আইবেক ছিলেন সাহিত্য ও জ্ঞান বিজ্ঞানের মহান পৃষ্ঠপোষক। তাঁর দরবার ছিল জ্ঞানী-গুণী, কবি সাহিত্যিক ও সুধীজনের মিলনকেন্দ্র। হাসান নিযামী ফখরে মুদাব্বির এবং সমকালীন বিজ্ঞজনেরা তাঁর দরবারে বিশেষ মর্যাদা প্রাপ্ত হতো। 

তৎকালীন যুগশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক হাসান নিযামী তাজুল মাসীর' নামক ইতিহাস গ্রন্থটি তাঁর নামে উৎসর্গ করেছিলেন।

■ কুতুবউদ্দিনের আইবেকের চরিত্র

১. ন্যায়বিচারক : 

ঐতিহাসিক আর. সি. মজুমদার বলেন, সুলতান কুতুবউদ্দিন যেমনি ছিলেন যোগ্য শাসক, তেমনি একজন ন্যায়বিচারক। তাঁর থেকে উঁচু নিচু সকল শ্রেণির জনগণ ন্যায়বিচার পেত।

২. ইসলামের সেবক : 

ড. এ. বি. এম. হাবিবুল্লাহ বলেন, কুতুবউদ্দিন আইবেক ইসলামের একনিষ্ঠ সেবক ছিলেন। এছাড়াও চারিত্রিক গুণাবলির জন্য সমসাময়িকদের নিকট তিনি শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন।

৩. উন্মুক্ত হৃদয়বান : 

চরিত্র ও মাধুর্যের বিচারে সুলতান কুতুবউদ্দিন সমসাময়িকদের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন উদারচিত্ত ও উন্মুক্ত হৃদয়ের অধিকারী।

৪. উদারতা ও বদান্যতা : 

কুতুবউদ্দিন ছিলেন মহান, উদার ও বদান্যতার অধিকারী। মুক্ত হস্তে দান করতেন বলে তিনি 'লাখবখশ' নামে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা উদার হস্তে দান করতেন। 

ড. স্মিথ বলেন, কুতুবউদ্দিনের তেজস্বিতা ও সহকর্মীদের প্রতি অফুরন্ত দানে বৈরী ভাবাপন্ন ঐতিহাসিকগণও তাঁকে মহানুভব ও বিজয়ী নৃপতি হিসেবে প্রশংসা না করে পারতেন না।

৫. ধর্মপরায়ণ :

কুতুবউদ্দিন ছিলেন একজন ধর্মপরায়ণ মুসলমান। ইসলাম প্রচারে তিনি যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। পরধর্মের প্রতিও তিনি ছিলেন পরম সহনশীল। ঐতিহাসিক ঈশ্বরীপ্রসাদ বলেন, তাঁর আমলে হিন্দুরা স্বাধীনভাবে নিজ ধর্ম পালন করতে পারত। 

৬. উদ্যমী ও সাহসী:

তিনি ছিলেন উদ্যমী ও সাহসী পুরুষ। অনেক অসম্ভব কাজকে তিনি সাহসিকতার সাথে সম্ভব করে তুলতেন। সাহসিকতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা, আত্মবিশ্বাস ও বিপদে ধৈর্যধারণ তাঁর সাফল্যের পথ সুগম করেছিল। 

৭. উন্নত চরিত্র : 

চারিত্রিক মাধুর্যতার বিচার বিশ্লেষণে সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক সমসাময়িকদের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন উদার চিত্তের এবং উন্মুক্ত হৃদয়ের মানুষ। 

তিনি অতিশয় উন্নত চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। ঈশ্বরীপ্রসাদ যথার্থই বলেছেন, কুতুবউদ্দিন আইবেক ছিলেন একজন শক্তিশালী ও সুযোগ্য শাসক, যিনি সবসময় উন্নত চরিত্র বজায় রাখতেন । 

উপসংহার : 

কুতুবউদ্দিন আইবেক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা ও শ্রেষ্ঠ শাসক। দিল্লির প্রথম স্বাধীন মুসলিম শাসক হিসেবে ইতিহাসে চিরকাল তাঁর নাম সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে। 

তাঁর মাত্র চার বছরের শাসন ভারতীয় ইতিহাসের যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত। তিনিই ভারত উপমহাদেশে স্থায়ীভাবে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন ।

Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.