ইসলামের ইতিহাসে শাসক হিসেবে ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ

বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের কৃতিত্ব মূল্যায়ন কর। অথবা, সোনারগাঁয়ের স্বাধীন সুলতান হিসেবে ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের কৃতিত্ব
Join our Telegram Channel!

প্রশ্ন : ২৮ বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের কৃতিত্ব মূল্যায়ন কর। অথবা, সোনারগাঁয়ের স্বাধীন সুলতান হিসেবে ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের কৃতিত্ব মূল্যায়ন কর।

ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ

বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রবর্তক হলেন সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের বর্মরক্ষক ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ। তিনি বাহরাম খানের অধীনে বর্তমান নোয়াখালী জেলার ভুলুয়া পরগনায় দশ বছরকাল শাসন করেছিলেন। 

বাহরাম খান ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করলে রাজধানী দিল্লি থেকে নতুন শাসনকর্তা পাঠাতে বিলম্ব ঘটে। এ সুযোগের সদ্ব্যবহার করে তিনি নিজেকে সোনারগাঁয়ের স্বাধীন সুলতান হিসেবে ঘোষণা করে ‘সুলতান ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১ স্বাধীন শাসক হিসেবে ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের কৃতিত্ব:

ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ ছিলেন বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন দক্ষ শাসক। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সুলতানি শাসন সুদীর্ঘ দুশো বছরকাল বাংলায় স্থায়ী হয়েছিল।

তাঁর শাসনামলেই সোনারগাঁয়ের প্রভূত উন্নতি ও প্রবৃদ্ধি সাধিত হয়। নিম্নে তাঁর কৃতিত্বপূর্ণ কার্যাবলির বিবরণ দেয়া হলো

১. ক্ষমতা লাভ : 

১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা সম্পূর্ণরূপে দিল্লির তুঘলক সাম্রাজ্যভুক্ত প্রদেশ ছিল। এ সময়ে বাংলা লখনৌতি, সোনারগাঁও এবং সাতগাঁও-এর তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। তখন তিনটি প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন কদর খান, বাহরাম খান এবং মালিক ইজুদ্দিন ইয়াহিয়া। 

এ সময় দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ তুঘলকের অবহেলা ও অত্যাচারে সাম্রাজ্যের ভিত নড়ে উঠেছিল। এদিকে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা কয়েক বছর শাসন করার পরই মারা যান। 

এ সুযোগে বাহরাম খানের বর্মরক্ষক ফখরউদ্দিন দিল্লির সুলতানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে সোনারগাঁও অঞ্চলের শাসন ক্ষমতা হস্তগত করেন। 

রিয়ায়-উস সালাতীনের মতে, তাঁর রাজত্বকাল ছিল মাত্র দু'বছর পাঁচ মাস, কিন্তু সুখময় মুখোপাধ্যায় তাঁর শাসনকাল ১২ বছর বলে উল্লেখ করেছেন।

২. কদর খানের পরাজয় : 

ফখরউদ্দিন নিজেকে সোনারগাঁয়ের স্বাধীন নৃপতি বলে ঘোষণা করে লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খান এবং সাতগাঁয়ের শাসনকর্তা ইজ্জুদ্দিন ইয়াহিয়া এবং দিল্লির সম্রাটের অধীনস্থ অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা তাঁকে দমন করার জন্য যুদ্ধযাত্রা করেন। 

তাদের সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ফখরউদ্দিন পলায়ন করেন। এভাবে সোনারগাঁও দিল্লির অধীনে চলে যায়। ফলে কদর খান একযোগে লখনৌতি ও সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। কিন্তু কদর খান ছিলেন অত্যন্ত লোভী ও অত্যাচারী। 

তিনি একদিকে ফখরউদ্দিনকে বিতাড়িত করে সোনারগাঁয়ের প্রচুর ধনসম্পদ একাই ভোগ করেন, বিন্দুমাত্রও সৈন্যবাহিনীকে দেননি; কিংবা দিল্লির সুলতানের নিকটও কোনো উপঢৌকন পাঠাননি। তাঁর এরূপ হীনতার জন্য সৈন্যদের মনে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। 

ইতোমধ্যে ফখরউদ্দিন পুনরায় সোনারগাঁয়ে উপস্থিত হলে কদর খানের বিক্ষুব্ধ সৈন্যরা তাঁর পক্ষে যোগদান করে। এ সময় কদর খান ও ফখরউদ্দিনের মধ্যে এ সংঘর্ষ বাঁধে। যু

দ্ধে কদর খান পরাজিত ও নিহত হন এবং ফখরউদ্দিন পুনরায় সোনারগাঁয়ের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করেন ।

৩. দক্ষ শাসক : 

সুলতান ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ ছিলেন একজন বিচক্ষণ সেনাপতি ও সুদক্ষ শাসক। বাংলার ইতিহাসে তিনিই প্রথম শাসক, যিনি পূর্ববাংলায় স্বাধীন সালতানাতের সূচনা করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত এ স্বাধীনতা সুদীর্ঘ দুশতাব্দিকাল বাংলায় স্থায়ী হয়েছিল। 

তাঁর আমলেই সোনারগাঁয়ের প্রভূত উন্নতি ও প্রবৃদ্ধি সাধিত হয়। তিনি অসংখ্য মসজিদ, ইমারত ও রাস্তাঘাট নির্মাণ করেছিলেন। 

নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়েও তিনি বাংলায় পুরোপুরি শান্তি স্থাপন করতে পেরেছিলেন। এটিই মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসে তাঁর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ।

৪. লখনৌতিতে অভিযান : 

কদর খানের পরাজয় ও নিহত হওয়ার সংবাদ পেয়ে তাঁর সেনাধ্যক্ষ আরিজ আলী মুবারক 'সুলতান আলাউদ্দিন আলী শাহ' উপাধি ধারণ করে লখনৌতির সিংহাসনে আরোহণ করেন। 

তবে ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের মতো স্বাধীনতা ঘোষণা না করে মুহাম্মদ তুঘলকের প্রতি,আনুগত্য প্রদর্শন পূর্বক তাঁর স্থলে অন্য একজন শাসনকর্তা পাঠানোর আবেদন জানান। আবেদনের প্রেক্ষিতে মুহাম্মদ তুঘলক ইউসুফ নামে একজন গভর্নরকে পাঠান। 

কিন্তু আসার পথে তিনি মারা যান। এদিকে ফখরউদ্দিন লখনৌতি বিজয়ের অভিপ্রায়ে সেনাপতি মুখলিসকে একদল সৈন্যসহ প্রেরণ করেন ।

৫. চট্টগ্রাম বিজয় : 

ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ চট্টগ্রাম বিজয়ের জন্য সোনারগাঁও থেকে অভিযান শুরু করেন এবং অনায়াসে চট্টগ্রামে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে স্বীয় রাজ্যের পূর্বদিকের সীমা বর্ধিত করেন। 

ফলে মুবারক শাহের আমলে চট্টগ্রাম সম্পূর্ণরূপে বিজয় লাভ করার পর শ্রীপুর ঘাটের সামনে নদীর বিপরীত দিকে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম একটি বাঁধ নির্মাণ করেন। 

এছাড়া তিনি এ বাঁধের ওপর একটি রাজপথও নির্মাণ করেছিলেন। চট্টগ্রামের ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদ ও সমাধি তাঁর কীর্তির অমর সাক্ষ্য বহন করে। ইবনে বতুতার মতে, “পর্যায়ক্রমে সোনারগাঁও ও চট্টগ্রাম ফখরউদ্দিনের রাজধানী ছিল। "

৬. রাজধানী স্থাপন : 

ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ কর্তৃক সোনারগাঁও টাকশাল থেকে উৎকীর্ণ অনেক মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে। মুদ্রাগুলো ১৩৩৮-১৩৪৮ খ্রিস্টাব্দে উৎকীর্ণ। এতে সহজেই অনুমিত, তিনি ১১ বছর ধরে সালতানাত পরিচালনা করেন। 

তাঁর মুদ্রায় সোনারগাঁওকে 'জালাল সোনারগাঁও' রূপে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সোনারগাঁও যে তাঁর রাজধানী ছিল তা জালাল বা মহান শব্দ দ্বারা বুঝানো হয়েছে।

৭. শস্য উৎপাদন : 

ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের আমলে বাংলায় প্রচুর পরিমাণ ফসল উৎপন্ন হতো। সুলতান কৃষকদের ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করেন। এ সময় প্রখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় আগমন করেন। 

তিনি উত্তর আফ্রিকা ও মধ্য এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত শহরগুলো সফর করেন এবং সেখান থেকে সিন্ধু, মুলতান ইত্যাদি শহর, বন্দর ঘুরে দিল্লি পৌঁছেন। এরপর ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন শহর, নগর, বন্দর ঘুরে তিনি বাংলায় আসেন। তিনি বাংলায় প্রচুর খাদ্যশস্য বিশেষ করে ধান উৎপাদিত হতে দেখেন।

৮. সহজ সরল জীবনযাপন : 

ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের শাসনামলে খাদ্যশস্যের দাম খুবই সস্তা ছিল। ইবনে বতুতা বলেছেন, বাংলার মতো প্রচুর চাল এবং সস্তা খাদ্যসামগ্রী তিনি বিশ্বের আর কোথাও দেখেননি। তিনি বাংলার বাজারে প্রাপ্ত কিছু খাদ্যসামগ্রী এবং 

কিছু নিত্যনৈমিত্তিক জিনিসের দাম উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তাঁর প্রদত্ত দাম বর্তমানকালের টাকার হিসেবে নির্ণয় করা খুব একটা সহজ নয়। ইবনে বতুতা দিল্লির পিতলের হিসেবে জিনিসপত্রের ওজন এবং দিনারের হিসেবে দাম উল্লেখ করেছেন।

৯. জীবনযাত্রার মান উন্নত : 

সুলতান ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের আমলে জনগণের জীবনযাত্রার মান ছিল উন্নত ও সহজসাধ্য। মোহাম্মদ আল মাহদী নামের মরক্কোর এক পর্যটক কিছুদিন সপরিবারে বাংলায় বসবাস করেন। 

ইবনে বতুতা বলেন, তিনি তাঁর তিনজনের পরিবারের জন্য ৭ টাকায় সারা বছরের খাদ্যসামগ্রী জোগাড় করতেন। ইবনে বতুতা উক্ত বাজারদরকে অত্যন্ত সস্তা বলে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু বাংলার লোকেরা তাঁকে বলেন, দেশে তখন জিনিসপত্রের দাম অত্যন্ত চড়া ছিল। 

ইবনে বতুতা আরো বলেন, খাদ্যশস্যের প্রাচুর্যের জন্যই বিদেশি পর্যটকেরা বাংলাকে অত্যন্ত পছন্দ করতো। 

কিন্তু বিদেশিরা বাংলার জলবায়ুকে মোটেই পছন্দ করতো না। তাই বহিরাগত লোকেরা বাংলাকে 'দোযাখাস্ত পুর-আয নিয়ামত বা ধনসম্পদে পরিপূর্ণ নরকরূপে অভিহিত করতো।

১০. ব্যবসায়-বাণিজ্য সম্প্রসারণ : 

সুলতানি আমলে বিশেষ করে সুলতান ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের আমলে বাংলায় ব্যবসায় বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটেছিল। ইবনে বতুতা চট্টগ্রাম বন্দরে অসংখ্য জাহাজ দেখেছিলেন। 

তিনি বলেন, এ জাহাজগুলো ফখরুউদ্দিন মুবারক শাহ যুদ্ধের কাজে ব্যবহার করতেন। তবে মনে হয় যুদ্ধ ছাড়াও জাহাজগুলো ব্যবসায় বাণিজ্য সম্প্রসারণেও ব্যবহৃত হতো।

১১. ফকির ও দরবেশদের প্রতি দুর্বলতা : 

ইবনে বতুতার বর্ণনা থেকে জানা যায়, ফখরউদ্দিন সুফী দরবেশদের প্রতি উদার ছিলেন। আর উদার ছিলেন বলেই তিনি সুফীদের মধ্য থেকে শায়দা নামে একজনকে সোদকাওয়ানে প্রতিনিধি নিযুক্ত করে জনৈক শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছিলেন। 

বিশ্বাসঘাতক শায়দা সুলতানের দুর্বলতার সুযোগে বিদ্রোহ ঘোষণা এবং ফখরউদ্দিনের একমাত্র পুত্রকে হত্যা করে। পরে ফখরউদ্দিন দেশে ফিরে এসে শায়দাসহ আরো কতিপয় নিরীহ ফকিরের প্রাণদণ্ড দান করলেও ফকির ও দরবেশের প্রতি তাঁর দুর্বলতা থেকেই যায়। 

সুলতান ফখরউদ্দিনের আদেশক্রমে ফকিররা মেঘনা নদী দিয়ে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারতো। নিঃসম্বল ফকিররা বিনাশ্রমে খাদ্যসামগ্রী পেতো। এমনকি সোনারগাঁও শহরে কোনো ফকিরের আগমন ঘটলে তাকে অর্ধ দীনার উপঢৌকন দেয়া হতো ।

১ ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের মৃত্যু : 

সুলতান ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের মৃত্যু সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মধ্যে যথেষ্ট মতভেদ দেখা যায়। আফীফের মতে,. “ফিরোজ শাহ তুঘলক ও ইলিয়াস শাহের যুদ্ধের পরে ফিরোজ শাহ দিল্লিতে প্রত্যাবর্তন করলে ইলিয়াস শাহ সোনারগাঁও আক্রমণ করে ফখরউদ্দিনকে হত্যা করেন এবং সোনারগাঁও করতলগত করেন।” 

এ হিসেবে ১৩৫৪ খ্রিস্টাব্দ অবধি সুলতান ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ জীবিত ছিলেন। সমসাময়িক এবং পরবর্তী ঐতিহাসিকদের মতামত যাই হোক না কেন ফখরউদ্দিনের মুদ্রার সাক্ষ্য থেকে জানা যায়, তিনি ১৩৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জীবিত ছিলেন এবং সোনারগাঁয়ে রাজত করেন। 

তাঁর পর ইখতিয়ার উদ্দিন গাজী ৭৫০-৭৫৩ সুলতান সোনারগাঁয়ে টাকশাল থেকে মুদ্রা প্রকাশ করেন। সুতরাং ৭৫৫ হিজরিতে ইলিয়াস শাহ কর্তৃক ফখরউদ্দিন মুবারক শাহকে হত্যা করার কথা আদৌ সঠিক নয়। 

মুদ্রার সাক্ষ্য হতে, ফখরউদ্দিন ১৩৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁয়ে রাজত্ব করে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর মৃত্যুর পরই ইখতিয়ার উদ্দিন গাজী শাহ সোনারগাঁয়ের সিংহাসনে আরোহণ করেন ।

উপসংহার : 

সুলতান ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকাল সংক্ষিপ্ত হলেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বাংলার স্বাধীন সালতানাতের অমর রূপকার। তাঁর আমলে চট্টগ্রাম প্রথম মুসলমানদের অধিকারে আসে। ফখরউদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকালে বাংলার জীবনযাত্রার মান উন্নত ছিল। 

দেশজুড়ে দ্রব্যমূল্য ছিল অত্যন্ত কম। তাঁর শাসনামলেই বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা বাংলায় আগমন করেন। ইবনে বতুতার বিবরণ বাংলার আর্থ-সামাজিক ইতিহাস পুনর্গঠনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

আর এসব কারণেই ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন ।

Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.
close