প্রসঙ্গ বজায় রেখে যোগাযোগ - ৭ম শ্রেণি বাংলা সামষ্টিক মূল্যায়ন সমাধান (১ম পর্ব)

0
ফেইসবুকে আমাদের সকল আপডেট পেতে Follow বাটনে ক্লিক করুন।




প্রসঙ্গ বজায় রেখে যোগাযোগ - ৭ম শ্রেণি বাংলা সামষ্টিক মূল্যায়ন সমাধান (১ম পর্ব)

প্রসঙ্গ বজায় রেখে যোগাযোগ


প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমাদের বাংলা সামষ্টিক মূল্যায়ন এর কার্যক্রম-১ হলো প্রসঙ্গ বজায় রেখে যোগাযোগ। এখানে তোমাদের কাজ হলো কোনো ব্যক্তির সাথে আলোচনার সময় তিনি যদি প্রসঙ্গের বাইরে চলে যান সেক্ষেত্রে তার প্রতি সন্মান বজায় রেখে কীভাবে পুনরায় প্রসঙ্গের মধ্যে ফিরে আসা যায় এ ব্যাপারে পরিবারের কারো সাথে আলোচনা করে সমাধান করা।

নিচে তোমাদের নির্দেশনা ও তার সমাধান উল্লেখ করা হলো-

প্রসঙ্গ বজায় রেখে যোগাযোগ - ৭ম শ্রেণি বাংলা সামষ্টিক মূল্যায়ন সমাধান (১ম পর্ব)

নির্দেশনা:

কার্যক্রম-১: প্রসঙ্গ বজায় রেখে যোগাযোগ

বাড়ি থেকে করে এনে শিক্ষকের কাছে জমা দিতে হবে: কোনো ব্যক্তির সাথে আলোচনার সময় তিনি যদি প্রসঙ্গের বাইরে চলে যান সেক্ষেত্রে তার প্রতি সন্মান বজায় রেখে কীভাবে পুনরায় প্রসঙ্গের মধ্যে ফিরে আসা যায় এ ব্যাপারে পরিবার বা পরিবারের বাইরের অন্তত দুইজন ব্যক্তির সাথে আলোচনা করে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এরপর এ বিষয়টি নিয়ে এক পৃষ্ঠার মধ্যে একটি তালিকা লিখিতভাবে প্রস্তুত করে নাম ও আইডিসহ লিখে জমা দিতে হবে। যাদের সাথে আলোচনা করে এ কাজটি করা হয়েছে। কাগজে তাদের নাম, পরিচয় ও স্বাক্ষর থাকতে হবে।
  • অন্যের সাথে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
  • তথ্য সংগ্রহের জন্য লটারির মাধ্যমে ৫ সদস্যের দল তৈরি করে দেওয়া হবে।
  • সংগৃহীত তথ্য দলগতভাবে জমা দিতে হবে।
  • দলের প্রত্যেকে নিজেদের মধ্যে কাজ ভাগ করে নিবে।
  • সময়: ৪৫-৬০ মিনিট


সমাধান:

কোনো ব্যক্তির সাথে আলোচনার সময় তিনি যদি প্রসঙ্গের বাইরে চলে যান সেক্ষেত্রে তার প্রতি সম্মান বজায় রেখে কীভাবে পুনরায় প্রসঙ্গের মধ্যে ফিরে আসা যায় এ ব্যাপারে আমি বাবা এবং বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলেছি। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১। ব্যক্তির বয়স এবং তার সঙ্গে সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে সম্বোধন করা।
২। শারীরিক অঙ্গভঙ্গি যেন অসম্মানজনক না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা।
৩। অপ্রাসঙ্গিক বিষয় পরিহার করা।
৪। ব্যক্তির মতামতকে সম্মান প্রদর্শন করা।
৫। সহজ, সরল ও স্পষ্ট করে কথা বলা ।
৬। চোখের দিকে তাকিয়ে নম্রভাবে এবং বিনয়ের সাথে কথা বলা।
৭। ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকা।
৮। কথা বলার সময় সেই ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নেওয়া ।
৯। উচ্চস্বরে কথা বলা পরিহার করা।
১০। কথোপকথনে সময় কতটা ব্যয় হচ্ছে তা বিবেচনায় রাখা।

যাদের সাথে আলোচনা করে কাজটি করেছি:

(ক) নাম: বেলায়েত হোসেন
সম্পর্ক: বাবা
সাক্ষর: (এখানে তোমরা যাদের নাম লিখবে তাদের সাক্ষর নিবে)

(খ) নাম: ওমর ফারুক
সম্পর্ক: গৃহ শিক্ষক
সাক্ষর: (এখানে তোমরা যাদের নাম লিখবে তাদের সাক্ষর নিবে)


Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)