Job Preparation
Fact Checked

বাংলাদেশের কৃষি: গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শস্যের জাত ও কৃষি প্রযুক্তি

Updated: October 8, 2026
Share:
Size:
Table of Contents
কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত - অফিসিয়াল গাইড ও ইনফোগ্রাফিক ২০২৬
বাংলাদেশের কৃষি: গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শস্যের জাত ও কৃষি প্রযুক্তি – হেল্পট্রিকবিডি অফিসিয়াল গাইড

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত – বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শস্যের জাত – বাংলাদেশের কৃষি: গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শস্যের উন্নত জাত ও আধুনিক তথ্য

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত নির্দেশিকা ছবি 2

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্যাবলী, সিলেবাস ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শস্যের জাত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্যাবলী, সিলেবাস ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। এই কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষায় সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

সূচিপত্র

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি হলেও মোট জনসংখ্যার প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ কৃষিতে নিয়োজিত। উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির ভূমিকা অনবদ্য।

এই বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শস্যের জাত যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষায় সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। এই কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষায় সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

দেশের জিডিপিতে কৃষি খাত (ফসল, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ এবং বন) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কৃষি সামাজিক কর্মকাণ্ডের এক বিশেষ ক্ষেত্র, যা জনগণের খাদ্য ও পুষ্টির নিশ্চয়তা, আয়ের সুযোগ সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শস্যের জাত যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষায় সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত – বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শস্যের জাত – বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ও খাতসমূহ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদকে প্রধানত ৪টি সেক্টরে ভাগ করা যায়:

কৃষিজ সম্পদ
শস্য ও
শাকসবজি
প্রাণিজ
সম্পদ
বনজ
সম্পদ
মৎস্য
সম্পদ

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত – বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শস্যের জাত – বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্য

বাংলাদেশের মোট ঋতু ৬টি। প্রতিটি ঋতুর সময়কাল নিচে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো:

গ্রীষ্ম
বৈশাখ + জ্যৈষ্ঠ
বর্ষা
আষাঢ় + শ্রাবণ
শরৎ
ভাদ্র + আশ্বিন
হেমন্ত
কার্তিক + অগ্রহায়ণ
শীত
পৌষ + মাঘ
বসন্ত
ফাল্গুন + চৈত্র

বাংলা ক্যালেন্ডার সংস্কার (২০১৯)

৩১ দিনে মাস: বৈশাখ থেকে আশ্বিন (প্রথম ৬ মাস)।
৩০ দিনে মাস: কার্তিক থেকে চৈত্র (বাকি মাসগুলো)।
* ফাল্গুন মাস ২৯ দিনে হয়, তবে লিপইয়ার হলে ৩০ দিনে হয়।

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত – কৃষি মৌসুম: রবি ও খরিপ শস্য

ফসল উৎপাদনের ভিত্তিতে শস্য বা ফলনকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:

  1. রবিশস্য (শীতকালীন): আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত। উদাহরণ: ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, মুলা, লাউ, শিম ইত্যাদি।
  2. খরিপ শস্য (গ্রীষ্মকালীন):
    • খরিপ-১: চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ। উদাহরণ: করলা, পটোল, কাঁকরোল, পুঁইশাক।
    • খরিপ-২: আষাঢ় থেকে ভাদ্র। উদাহরণ: আমলকী, জলপাই, তাল।

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত – কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ

নিচে বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের অবস্থান ও প্রতিষ্ঠাকালের তালিকা দেওয়া হলো (হুবহু চিত্র অনুযায়ী):

সম্পূর্ণ তথ্য দেখতে ডানে-বামে স্ক্রোল করুন
প্রতিষ্ঠানের নামঅবস্থানপ্রতিষ্ঠাকাল
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটজয়দেবপুর, গাজীপুর১৯৭৬
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটময়মনসিংহ১৯৬১
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটজয়দেবপুর, গাজীপুর১৯৭০
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটমানিকমিয়া এভিনিউ, ঢাকা১৯৫১
বাংলাদেশ পাট গবেষণা বোর্ডমানিকগঞ্জ
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটশ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার১৯৫৭
বাংলাদেশ চা বোর্ডচট্টগ্রাম১৯৭৭
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটঈশ্বরদী, পাবনা১৯৮৭
বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটরাজশাহী
বাংলাদেশ আম গবেষণা কেন্দ্রচাঁপাইনবাবগঞ্জ১৯৮৫
বাংলাদেশ গম গবেষণা কেন্দ্রনশীপুর, দিনাজপুর১৯৮৫
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্রঈশ্বরদী, পাবনা১৯৮৭
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্রশিবগঞ্জ, বগুড়া১৯৮৭
বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ডফার্মগেট, ঢাকা১৯৭২
বাংলাদেশ রবার গবেষণা বোর্ডচাঁন্দগাঁও, চট্টগ্রাম১৯৭২
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদফার্মগেট, ঢাকা১৯৭৫

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জাত – বাংলাদেশের কৃষি-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান ও ইতিহাস

নিচে বাংলাদেশের কৃষি-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস হুবহু তুলে ধরা হলো:

  • কৃষি বিভাগ: ১৮৭০ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলায় প্রথম কৃষি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে।
  • কৃষি গবেষণা ল্যাবরেটরি: ১৯০৯ সালে ঢাকার উপকণ্ঠ ফার্মগেটে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
  • কৃষি ইনস্টিটিউট: ১৯৩৮ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা বর্তমান শেরেবাংলা নগরে কৃষি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬১ সালে ময়মনসিংহে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হলে একে তার অধীনে নেওয়া হয়। ২০০১ সালে এটিকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করা হয়।
  • ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র: ১৯৫১ সালে পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
  • চা গবেষণা কেন্দ্র: ১৯৫৭ সালে শ্রীমঙ্গলে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
  • পাট গবেষণা কেন্দ্র: ১৯৫৭ সালে বর্তমান শেরেবাংলা নগরে গড়ে তোলা হয়।
  • বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (BADC): ১৯৬১ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ১৯৬১ সালে ময়মনসিংহে এদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৫টি:
    1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- ময়মনসিংহ
    2. শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- ঢাকা
    3. বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- জয়দেবপুর
    4. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- সিলেট
    5. খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- খুলনা
  • রেশম গবেষণা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট: ১৯৬২ সালে রাজশাহীতে গড়ে তোলা হয়।
  • BRRI: ১৯৭০ সালে জয়দেবপুরে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
  • BINA: ১৯৭২ সালে ঢাকার আনবিক গবেষণা কেন্দ্রে কৃষি পারমাণবিক গবেষণা ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার অ্যাগ্রিকালচার (INA) প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৫ সালের গোড়ার দিকে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার অ্যাগ্রিকালচার (BINA)’ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এটি স্থানান্তর করা হয়।
  • তুলা উন্নয়ন বোর্ড: ১৯৭২ সালে দেশে তুলার চাষ সম্প্রসারণ করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয়।
  • জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট: ১৯৭২ সালে ‘জুট অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে প্রাক্তন জুট অ্যাগ্রিকালচার রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে ‘জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নামে পুনর্গঠন করা হয়।
  • বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC): ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল। এটি কৃষিতে গবেষণা সমন্বয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। এটি গঠনের দায়িত্ব প্রদান করেন স্বনামখ্যাত কৃষিবিদ ড. কাজী বদরুদ্দোজাকে।
  • বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: ১৯৭৩ সালে President’s order No 27 of 1973 এর মাধ্যমে কৃষি ব্যাংক নামে একটি বিশেষায়িত সরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়।

প্রধান কৃষিজ ফসল ও উৎপাদন

ধান: বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান চাষ করা হয় আবাদি জমির প্রায় ৭০ ভাগ জমিতে। বাংলাদেশে ধানের শ্রেণিভেদ ৩টি। যথা: আউশ, আমন, বোরো।

  • আউশ: উঁচু জমিতে চাষ করা হয়। বৈশাখ মাসে বোনা হয় এবং শ্রাবণ মাসে কাটা হয়।
  • বোরো: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় বোরো ধান। এটি অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম সপ্তাহে রোপণ করা হয় এবং বৈশাখ মাসে কাটা হয়। শীতকালীন ফসল হিসেবে সেচ দিয়ে উৎপাদন করা হয়।
  • আমন: বৈশাখ মাসে বোনা হয় এবং আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে রোপণ করা হয়। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে কাটা হয়।
  • লবণাক্ততা সহিষ্ণু: বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধান বিনা-৮, যা লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে।
  • উৎকৃষ্টমানের ধান: বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের বালাম, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, ময়মনসিংহের বিরই এবং নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলের কালিজিরা ও চিনিগুঁড়া।
  • উন্নত জাত: সোনার বাংলা-১, ইরাটম, নারিকা-১, সুপার রাইস, হাইব্রিড হীরা, ব্রিশাইল, ময়না, হরিধান, চান্দিনা, মালাইরি ইত্যাদি। সর্বপ্রথম যে উফশী ধান চালু হয়ে এখনো বর্তমান আছে- ইরি-৮।

পাট: ‘সোনালি আঁশ’ বলা হয় পাটকে। ২০১০ সালে পাটের জিনবিন্যাস আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম। বাংলাদেশ পাটের ৩টি জেনোমের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

  • পাট উৎপাদনে ভারত বিশ্বের শীর্ষ দেশ এবং বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। তবে রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
  • শ্রেষ্ঠ পাট বলয়: ময়মনসিংহ-ঢাকা-কুমিল্লা। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুর জেলায়।
  • ওজন: একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন সাড়ে তিন মণ (৩.৫ মণ)।
  • পচন পদ্ধতি: রিবন রেটিং।
  • শ্রেণিবিভাগ: পাটকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- ১. সাদা, ২. তোষা ও ৩. মেসতা।
  • জুট পলিমার: পাট থেকে জুট পলিমার তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কারের পথিকৃৎ বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মোবারক আহমদ খান।
  • জুটন: পাট ও তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপড় (৭০% পাট + ৩০% তুলা)। আবিষ্কারক: ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
  • উপযোগী জলবায়ু: উষ্ণ অঞ্চল, অধিক তাপমাত্রা (২০-৩৫° সে.), প্রচুর বৃষ্টিপাত (১৫০-২৫০ সেমি.), পলিযুক্ত দোআঁশ মাটি।
সম্পূর্ণ তথ্য দেখতে ডানে-বামে স্ক্রোল করুন
শস্য/ফসলউন্নত জাত
আলুডায়মন্ড, কার্ডিনেল, হীরা, গ্রানোলা, কার্ডিনাল, চমক, আলমেরা, কুফরী, সিন্দুরী, মিউজিকা নৈনিতাল
কলাঅগ্নিশ্বর, কানাইবাসি, মোহনবাসি, বীটজবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী, সবরি
পাটসিভিএল-১, সিভিই-৩, তোষা-১, তোষা-৩, তোষা-৪, রবি-১
ভুট্টাবর্ণালী, শুভ্র, উত্তরণ (ব্র্যাক উদ্ভাবিত) মোহর, সুপার সুইট কর্ণ
গমবলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বরকত, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব, সোনালিকা, আনন্দ, সুফী, বিজয়, প্রদীপ
ধানহীরা, ময়না, হরি, সোনার বাংলা, ইরাটম, ব্রিশাইল, চান্দিনাম মালা, সুপার রাইস, মুক্তা, প্রগতি, আশা, বিপ্লব, দুলাভোগ, আশা, বাউ-১৬, আলোক-৬২১০, নারিকা-১, সোনার বাংলা-১, সুপার রাইস প্রভৃতি
তুলারুপালী, ডেলফোজ, সি বি-১০
টমেটোবাহার, মানিক মিন্টো (বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রথম হাইব্রিড টমেটো) রতন, ঝুমকা, শ্রাবনী, সিদুর, অপূর্ব, রোমা, মিন্টু, চৈতি, অপূর্ব, শীলা, লালিমা, শিলা, পাথরকুচি
মরিচযমুনা, বাংলালংকা
পুঁইশাকচিত্রা, মাধুরী, মনীষা, গ্রিন লিক, রূপসা গ্রিন
আমমহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, গৌড়মতি (বারোমাসি আম)
মিষ্টিকুমড়াহাজী ও দানেশ
তামাকসুমাত্রা, ম্যানিলা, কেয়ামন, মতিহারী, হোয়াইট বার্লি, পোকার ২৫৪, সেসমারিয়া, হ্যারিসন স্পেশাল
বেগুনউত্তরা (বিটি বেগুন-১), কাজলা (বিটি বেগুন-২), নয়নতারা (বিটি বেগুন-৩), সিংনাথ, দোহাজারী, খটখটিয়া, ইসলামপুরী, তারাপুরী, ঈশ্বরদী-১, চ্যাগা, ইত্তরা, শুকতারা, তারাপুরী
চীনাবাদামত্রিদানা, মাইজচর বাদাম, ঝিংগা বাদাম, বাসন্তী
বাঁধাকপিগোল্ডেন ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, গ্রিন এক্সপ্রেস, অ্যাটনাম-৭০, ড্রাম হেড, অগ্রদূত, টোকিও প্রাইড, গ্রিন এক্সপ্রেস, এটলাস ৭০, কে কে ক্রস
ব্রোকলিজুপিটার, গ্রিন ডিউক, ক্যাপ কুইন, ক্রুসেজর
ফুলকপিআর্লি স্নোবল, হোয়াইট ব্যারন, ট্রপিক্যাল, রাক্ষুসী, বারী, কার্তিকা, রূপা, অঘ্রাণী হোয়াইট, রোবল, বেনারসি
সরিষাসফল, অগ্রণী, কল্যাণীয়া, দৌলত, সোনালী, ধলি (বারি সরিষা-৬), টরি-৭
তেলবীজসফল, অগ্রণী কিরনী, ডিএস-১
গর্জন তিলশোভা

কৃষি বিষয়ক বৈজ্ঞানিক পরিভাষা

  • অ্যাপিকালচার (Apiculture): মৌমাছি চাষ।
  • পিসিকালচার (Pisciculture): মৎস্য চাষ।
  • হর্টিকালচার (Horticulture): উদ্যান বিদ্যা।
  • সেরিকালচার (Sericulture): রেশম চাষ।
  • অ্যাভিকালচার (Aviculture): পাখি পালন।
  • প্রনকালচার (Prawnculture): গলদা চিংড়ি চাষ।
  • শ্রিম্পকালচার (Shrimpculture): বাগদা চিংড়ি চাষ।
  • হাইড্রোপনিক্স: মাটি ছাড়া পানিতে চাষাবাদ।
  • এরোপনিক্স: শূন্যে বা বাতাসে ভাসমান চাষাবাদ।

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান (BBS রিপোর্ট ২০২২ অনুযায়ী)

  • গম: ঠাকুরগাঁও
  • আম: রাজশাহী
  • মসুর ও পাট: ফরিদপুর
  • তামাক: কুষ্টিয়া
  • ধান: ময়মনসিংহ
  • ভুট্টা ও লিচু: দিনাজপুর
  • আলু: বগুড়া
  • চা: মৌলভীবাজার
  • তুলা: ঝিনাইদহ

সরকারি খাদ্যশস্য বিতরণ

সরকার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি পরিচালনা করে:

  • ওএমএস (OMS): ওপেন মার্কেট সেল।
  • কাবিখা: কাজের বিনিময়ে খাদ্য।
  • ভিজিএফ (VGF): ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং।
  • টিআর (TR): টেস্ট রিলিফ।

অফিসিয়াল তথ্যাবলী ও প্রাসঙ্গিক নীতিমালার জন্য বাংলাদেশ – উইকিপিডিয়া উন্মুক্ত বিশ্বকোষ ভিজিট করতে পারেন।

Academic Source & Citation

Curriculum Gazette & Bibliographic Reference
Curriculum Verified
Authoritative Standard: National Curriculum (NCTB) & National University (NU) Regulations
Published Date: December 8, 2025
Last Verified Revision: October 8, 2026
Resource Identifier: HTBD-105
Faruk Sir. (2025). বাংলাদেশের কৃষি: গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শস্যের জাত ও কৃষি প্রযুক্তি. HelpTrickBD Academic Portal. Retrieved from https://www.helptrickbd.com/bangladesh-agriculture-institutes-resources-complete/

Share with Classmates & Friends

Help others by sharing this educational guide on your favorite social platforms.

Was this guide helpful for your preparation? Student feedback helps us maintain high quality educational handnotes.

Never miss an exam routine or special suggestion!

Join our verified WhatsApp and Telegram study groups today.

Author & Researcher

Faruk Sir

Verified Author

Education and technology researcher, National University and BCS study analyst. Formulating accurate, verified, and timely guides for students is the core mission of HelpTrickBD.