
এসএসসি বাংলা ১ম পত্র কবিতাংশ MCQ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্যাবলী, সিলেবাস ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
সূচিপত্র
এক নজরে কবিতাংশ বহুনির্বাচনি প্রস্তুতি ২০২৬-২০২৭: এসএসসি ও দাখিল বাংলা ১ম পত্রের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় কবিতাংশ বহুনির্বাচনি (Poetry MCQ) অংশে পূর্ণ ১৫ নম্বর পাওয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থীর জন্যই বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। এই এসএসসি বাংলা ১ম পত্র কবিতাংশ MCQ যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষায় সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।
কবিতার রূপক ভাবার্থ, ছন্দ-প্রকৃতি, সনেটের মিলবিন্যাস এবং শব্দার্থ থেকে আসা জটিল প্রশ্নগুলো সহজে সমাধানের জন্য আল ফাতাহ সাজেশন ও বোর্ড প্রশ্ন বিশ্লেষণে এই ২৪২টি অধ্যায়ভিত্তিক বহুনির্বাচনি প্রশ্নব্যাংক প্রস্তুত করা হলো। বন্দনা, বঙ্গবাণী, কপোতাক্ষ নদ, জীবন-সঙ্গীত, মানুষ, সেইদিন এই মাঠ, পল্লিজননী, রানার, স্বাধীনতা ও সাহসী জননী বাংলা—১০টি অধ্যায়ের প্রতিটি প্রশ্নের সাথে রয়েছে ক্লিক-টু-রিভিল ড্রপডাউন উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা।
এসএসসি বাংলা ১ম পত্র কবিতাংশ MCQ – ১. বাংলা ১ম পত্র কবিতাংশ বহুনির্বাচনি (Poetry MCQ) সমাধানে পূর্ণ ১৫ পাওয়ার টেকনিক
কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো গদ্যের চেয়ে তুলনামূলক বেশি ভাবগম্ভীর ও রূপকধর্মী হয়। তাই সরাসরি উত্তর মুখস্থ না করে কবিতার মূল উপলব্ধি বোঝা জরুরি: এই এসএসসি বাংলা ১ম পত্র কবিতাংশ MCQ যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষায় সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।
- ছন্দ ও রূপক বিশ্লেষণ: কপোতাক্ষ নদের ১৪ মাত্রার সনেট রীতি, জীবন-সঙ্গীতের বাস্তববাদী জীবনদর্শন কিংবা সেইদিন এই মাঠের চিরন্তন সৌন্দর্যতত্ত্বের অন্তর্নিহিত অর্থ মাথায় রাখতে হবে।
- শব্দের ঐতিহাসিক টীকা: বঙ্গবাণীর মারফত, হিংসে, কিংবা রানারের লণ্ঠন—এসব পারিভাষিক শব্দের সঠিক প্রেক্ষাপট জেনে রাখতে হবে।
- কবির মনোবেদনা ও উপলব্ধি: পল্লিজননীর মাতৃহৃদয়ের শঙ্কা এবং শামসুর রাহমানের স্বাধীনতাকামী রক্তাক্ত প্রত্যয়—এসব ভাবাবেগ থেকে উদ্দীপকভিত্তিক প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে।
এসএসসি বাংলা ১ম পত্র কবিতাংশ MCQ – ২. অধ্যায়ভিত্তিক কবিতাংশ বহুনির্বাচনি প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান (Chapter-wise Poetry MCQ Bank)
নিচে আল ফাতাহ দাখিল ও এসএসসি ২০২৭ প্রশ্নপত্র সাজেশন থেকে কবিতাংশের ১০টি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনি প্রশ্নাবলি তুলে ধরা হলো। প্রতিটি প্রশ্নের নিচে ড্রপডাউনে ক্লিক করে সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখে নেওয়া যাবে: এই এসএসসি বাংলা ১ম পত্র কবিতাংশ MCQ যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরীক্ষায় সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।
১. বন্দনা — শাহ মুহম্মদ সগীর (Bondona Poem MCQ Solution)
প্রশ্ন 1: ‘বন্দনা’ কবিতাটি শাহ মুহম্মদ সগীরের কোন বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের অমর প্রণয়কাব্য ‘ইউসুফ-জোলেখা’-র বন্দনা অংশ থেকে এটি চয়ন করা হয়েছে।
প্রশ্ন 2: কবি শিক্ষককে ‘দোসর জনম’ বা দ্বিতীয় জন্মদাতা বলার কারণ কী?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: পিতা মানুষকে জৈবিক জন্ম দিলেও শিক্ষক আত্মিক ও জ্ঞানের জন্ম দিয়ে তাকে সমাজে আলোকিত মানুষ বানান।
প্রশ্ন 3: ‘পিতা না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ান’—’বন্দনা’ কবিতায় এ বর্ণনায় পিতার কোন গুণটি প্রকাশ পেয়েছে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: পিতা নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানের মুখে অন্ন তুলে দেন—এটি চরম পিতৃস্নেহ ও ত্যাগের প্রতীক।
প্রশ্ন 4: ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত পিঁপড়ার ভয়ে মা কেন সন্তানকে মাটিতে রাখেন না?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মা সন্তানের অতি স্নেহে এতই সতর্ক থাকেন যেন অতি ক্ষুদ্র পিঁপড়াও সন্তানকে দংশন করতে না পারে।
প্রশ্ন 5: শাহ মুহম্মদ সগীর কোন শাসনামলের রাজকবি ছিলেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবি গৌড়ের প্রখ্যাত সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে কাব্য রচনা করেছিলেন।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ১. বন্দনা
- মূল উৎস: মধ্যযুগের আদি বাঙালি মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের অমর প্রণয়কাব্য ‘ইউসুফ-জোলেখা’।
- কাব্যযুগ: আনুমানিক চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগ বা পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকাল)।
- মূল বক্তব্য: পরম করুণাময় আল্লাহর অপার মহিমা ও প্রশংসা কীর্তন, যিনি নিখিল বিশ্ব সৃষ্টি করেছেন।
- শব্দার্থ: ‘করতার’ অর্থ স্রষ্টা বা পালনকর্তা; ‘নিরাঞ্জন’ অর্থ কলুষহীন বা পবিত্র সত্তা।
২. বঙ্গবাণী — আব্দুল হাকিম (Bongobani Poem MCQ)
প্রশ্ন 6: ‘বঙ্গবাণী’ কবিতাটি আব্দুল হাকিমের কোন অমর কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: সপ্তদশ শতাব্দীর কবি আব্দুল হাকিমের সর্বশ্রেষ্ঠ ভক্তিমূলক কাব্যগ্রন্থ ‘নূরনামা’ থেকে কবিতাটি গৃহীত।
প্রশ্ন 7: কবির মতে যারা বাংলায় জন্মগ্রহণ করেও বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করে, তাদের কী করা উচিত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবি অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেছেন, ‘দেশ ত্যাগী কেন বিদেশ ন যায়’।
প্রশ্ন 8: ‘যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী / সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি’—উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে:
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মাতৃভাষাকে যারা অস্বীকার করে, তাদের জাতীয় পরিচয় ও বংশমর্যাদা নিয়ে কবি তীব্র সংশয় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
প্রশ্ন 9: আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার ক্ষেত্রে কোন ভাষাটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মহান সৃষ্টিকর্তা সব ভাষাই বোঝেন, তাই নিজ মাতৃভাষায় মনের আকুতি প্রকাশ করাই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে কাম্য।
প্রশ্ন 10: ‘মারফত’ শব্দের মূল অর্থ কী?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মারফত হলো পরম স্রষ্টাকে ভক্তি ও অন্তরের আলো দিয়ে গভীরভাবে উপলব্ধি করার আধ্যাত্মিক সাধনা।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ২. বঙ্গবাণী
- মূল উৎস: সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগীয় কবি আব্দুল হাকিমের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘নূরনামা’।
- মূল দর্শন: মাতৃভাষা প্রেম। মধ্যযুগে যখন আরবি-ফারসির দাপটে বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা করা হতো, তখন কবির নির্ভীক প্রতিবাদ।
- কঠোর উচ্চারণ: ‘যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী / সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।’
- ধর্মীয় সমন্বয়: আল্লাহ সকল ভাষা বোঝেন; সৃষ্টিকর্তার উপাসনার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ভাষার শ্রেষ্ঠত্ব বা ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা নেই।
৩. কপোতাক্ষ নদ — মাইকেল মধুসূদন দত্ত (Kopotakkho Nod MCQ Solution)
প্রশ্ন 11: ‘কপোতাক্ষ নদ’ কোন ধরনের কবিতা?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: এটি ১৪ লাইনের সুবিন্যস্ত ছন্দ ও মিলকাঠামোয় রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সনেট।
প্রশ্ন 12: কবি সুদূর ফ্রান্সে বসে কপোতাক্ষ নদের কিসের স্মৃতি মনে করেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবি বলেন, ‘সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে, সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে।’
প্রশ্ন 13: ‘দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে’—চরণটিতে কপোতাক্ষ নদকে কী হিসেবে রূপায়িত করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: জন্মভূমি বাংলাদেশকে মা কল্পনা করে কপোতাক্ষ নদকে সেই মায়ের জীবনদায়ী সুধা বলে কবি বর্ণনা করেছেন।
প্রশ্ন 14: সনেটের প্রথম ৮ চরণের সমষ্টিকে কী বলা হয়?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: সনেটের প্রথম ৮ লাইনকে অষ্টক (Octave) বলা হয়, যেখানে ভাবের সূচনা ও বিস্তৃতি ঘটে।
প্রশ্ন 15: সনেটের শেষ ৬ লাইনে মূলত কী প্রকাশিত হয়?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: সনেটের শেষ ৬ লাইনকে ষষ্ঠক (Sestet) বলা হয়, যেখানে কবির অন্তিম ভাবসত্য বা পরিণতি স্পষ্ট রূপ পায়।
প্রশ্ন 16: কবি কপোতাক্ষ নদের কাছে শেষ প্রার্থনা হিসেবে কী চেয়েছেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবি কাতর কণ্ঠে প্রার্থনা করেন, জন্মভূমির প্রিয় নদ যেন প্রবাসে থাকা এই সন্তানকে প্রীতির সাথে চিরকাল মনে রাখে।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ৩. কপোতাক্ষ নদ
- কাব্যধারা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা।
- রচনাস্থল: ফ্রান্সের সুদূর ভার্সাই নগরী (সুদূর প্রবাসে স্বদেশ ও শৈশবের স্মৃতিবেদনা)।
- মিলবিন্যাস: অষ্টকের মিল ‘কখকখ কখকখ’ এবং ষষ্ঠকের মিল ‘গঘঙ গঘঙ’ (বা কখখক কখখক)।
- দুগ্ধ-স্রোতোরূপী: কবি কপোতাক্ষ নদের স্নিগ্ধ নির্মল জলধারাকে স্বদেশের মায়ের স্নেহপূর্ণ স্তন্যদুগ্ধের সাথে তুলনা করেছেন।
৪. জীবন-সঙ্গীত — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (Jibon Sangeet MCQ Solution)
প্রশ্ন 17: ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতাটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন মূল ইংরেজি কবিতার ভাবানুবাদ?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: আমেরিকান বিখ্যাত কবি লংফেলোর অনুপ্রেরণামূলক কবিতা ‘A Psalm of Life’-এর অনুপম বাংলা ভাবানুবাদ।
প্রশ্ন 18: কবি মানব জীবনকে কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবি বলেছেন, ‘কর যুদ্ধ বীরবেশে, মহাধৈর্য ধরে’, জীবন কোনো অলস মায়ার জায়গা নয়।
প্রশ্ন 19: ‘মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে করে গমন’—চরণটির মূল বার্তা কী?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মহান ব্যক্তিরা কর্মের মাধ্যমে যে পদচিহ্ন রেখে গেছেন, তা অনুসরণ করলেই মানুষ অমরত্ব লাভ করতে পারে।
প্রশ্ন 20: কবি অতীত সুখের স্মৃতি নিয়ে পড়ে থাকতে বারণ করেছেন কেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: অতীতের কান্নাকাটিতে সময় নষ্ট না করে বর্তমানের আহ্বানে বীরের মতো ঝাঁপিয়ে পড়াই মানুষের আসল ধর্ম।
প্রশ্ন 21: আমাদের জীবনকে স্বার্থক করার একমাত্র উপায় কী?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবির মতে শুভক্ষণে মহোৎসাহে নিজ কর্ম সম্পাদন করাই জীবনের চরম সার্থকতা।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ৪. জীবন-সঙ্গীত
- মূল উৎস: মার্কিন কবি হেনরি ওয়াডসওয়ার্থ লংফেলোর ‘A Psalm of Life’ কবিতার প্রমিত ভাবানুবাদ।
- মূল দর্শন: জীবন কোনো অলীক মায়ামরীচিকা বা বৃথা স্বপ্ন নয়; এটি এক অবিরাম কর্মক্ষেত্র ও সংগ্রাম।
- মানবজীবনের লক্ষ্য: অতীতের বৃথা চিন্তায় বর্তমান নষ্ট না করে সাহসের সাথে কর্মে লিপ্ত হওয়া।
- মহাজ্ঞানী মহাজনদের পথ: কীর্তিমানের পদচিহ্ন অনুসরণ করে আমাদেরও অমরত্ব অর্জন করতে হবে।
৫. মানুষ — কাজী নজরুল ইসলাম (Manush Poem MCQ Suggestion)
প্রশ্ন 22: ‘মানুষ’ কবিতাটি নজরুলের কোন বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ থেকে গৃহীত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: ১৯২৫ সালে প্রকাশিত মানবতাবাদী সাম্যবাদী আন্দোলনের প্রামাণ্য কাব্য ‘সাম্যবাদী’ থেকে এটি সংকলিত।
প্রশ্ন 23: পূজারী ভোরবেলায় মন্দিরের দুয়ার খুলেই কী স্বপ্ন দেখেছিল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: পূজারী ভেবেছিল কোনো বিত্তবান ভক্ত হয়তো বহু উপচার ও প্রসাদ নিয়ে এসেছে, যা দিয়ে তার বহু দিনের ভোগ বিলাসের সংস্থান হবে।
প্রশ্ন 24: ক্ষুধার্ত পান্থ কত দিন অভুক্ত ছিল বলে পূজারীর কাছে জানায়?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: ক্ষুধার্ত পথিক আর্তনাদ করে বলেছিল, ‘বাবা, ফাঁকা আছি আজ নিয়ে সাত দিন!’
প্রশ্ন 25: ক্ষুধার্ত মানুষকে তাড়িয়ে দেওয়ার পর ভুখারি পথিকের করুণ উপলব্ধি কী ছিল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মন্দিরের মালিকানা যে ভণ্ড পূজারীদের দখলে চলে গেছে এবং সেখানে স্রষ্টার প্রেম নেই—এটাই ছিল সত্য।
প্রশ্ন 26: নজরুল ‘কালাপাহাড়’-কে আহ্বান করেছিলেন কেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কালাপাহাড় ছিলেন এক ঐতিহাসিক মূর্তিভঙ্গকারী বীর; ধর্মের নামে তালাবদ্ধ স্বার্থের দুর্গ ধ্বংস করতে কবি তাকে রূপকভাবে ডেকেছেন।
প্রশ্ন 27: নজরুলের মতে সব তীর্থের চেয়ে পবিত্রতম তীর্থ কোনটি?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবি বলেছেন, ‘তোমার হৃদয়ে সকল তীর্থ, সকল দেবতা রয়।’
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ৫. মানুষ
- মূল উৎস: কাজী নজরুল ইসলামের অমর সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ ‘সাম্যবাদী’।
- মূল দর্শন: মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।
- ভণ্ড ধার্মিকের স্বরূপ: পূজারী ও মোল্লার ভণ্ডামি, যারা ক্ষুধার্ত মানুষের চেয়ে মন্দির ও মসজিদের তালাবদ্ধ খাবারকে বড় মনে করে।
- ঐতিহাসিক উক্তি: ‘ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!’ এবং কালাপাহাড়ের প্রতি নজরুলের আহবান।
৬. সেইদিন এই মাঠ — জীবনানন্দ দাশ (Sheidin Ei Math Poem MCQ)
প্রশ্ন 28: ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: বাংলার প্রকৃতির অপার রূপমুগ্ধতার চিরকালীন দলিল ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে এটি সংকলিত।
প্রশ্ন 29: ‘সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি’—চরণটিতে ‘মাঠ’ কিসের প্রতীক?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মাঠ এখানে সমগ্র প্রকৃতির অবিনশ্বর সৌন্দর্য ও চিরপ্রবহমান জীবনের প্রতীক।
প্রশ্ন 30: মানুষের মৃত্যুর পরও পৃথিবীতে কোন জিনিসটির মৃত্যু নেই বলে কবি মনে করেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: ব্যক্তি মানুষ নশ্বর, কিন্তু প্রকৃতির রূপ, গন্ধ ও প্রাণের প্রবাহ অবিনশ্বর।
প্রশ্ন 31: ব্যাবিলন ও আসিরীয় সভ্যতার কী পরিণতি ঘটেছিল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মহাপরাক্রমশালী সাম্রাজ্যগুলো কালের নিয়মে ধূলির মতো মিশে গেছে, কিন্তু চালতাফুলের গন্ধ আজও অমলিন।
প্রশ্ন 32: কবি কোন পাখির গানকে শুভ সংকেত বা মঙ্গলের গান হিসেবে কবিতায় রূপায়িত করেছেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: লক্ষ্মীপেঁচার ডাক গ্রামবাংলায় সুখ, সমৃদ্ধি ও চিরন্তন শান্তির ধারক হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ৬. সেইদিন এই মাঠ
- মূল উৎস: রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’।
- মূল সুর: মানুষের নশ্বরতা বনাম প্রকৃতির চিরন্তনতা। মানুষ মারা যায় কিন্তু পৃথিবীর সৌন্দর্য অবিনশ্বর।
- ঐতিহাসিক বিলুপ্তি: ব্যাবিলন ও আসিরিয়া সাম্রাজ্যের মতো পরাক্রমশালী সভ্যতা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে কিন্তু চালতাফুলের গন্ধ ও লক্ষ্মীপেঁচার গান চিরকাল অব্যাহত থাকবে।
- রূপক প্রতীক: শিশিরের জলে চালতাফুলের গন্ধ, লক্ষ্মীপেঁচার গান এবং বাংলার স্নিগ্ধ নদী-বনানীর আবহমান রূপ।
৭. পল্লিজননী — জসীমউদ্দীন (Polli Jononi Poem MCQ Bank)
প্রশ্ন 33: ‘পল্লিজননী’ কবিতাটি জসীমউদ্দীনের কোন বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: পল্লীকবির প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’-র অত্যন্ত করুণ ও মর্মস্পর্শী কবিতা এটি।
প্রশ্ন 34: রুগ্ন ছেলের শিয়রে বসে মা কিসের আলোতে রাত জাগছিলেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: ঘরে পর্যাপ্ত তেল না থাকায় প্রদীপের নিভু নিভু শিখা যেন সন্তানের মুমূর্ষু জীবনের রূপক হয়ে উঠেছিল।
প্রশ্ন 35: অসুস্থ ছেলেটি মায়ের কাছে কী আবদার করেছিল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: পল্লী কিশোরের সামান্যতম আনন্দের স্বপ্ন ছিল মাঠে গিয়ে লাটিম ঘোরানো ও ঘুড়ি ওড়ানো।
প্রশ্ন 36: বাঁশঝাড়ে কোন পাখির কর্কশ ডাক শুনে মা অমঙ্গলের আশঙ্কায় শিউরে উঠতেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: গ্রামের লোকবিশ্বাস অনুযায়ী হুতুমের ডাক অসুস্থ রোগীর মৃত্যুসংকেত বহন করে বলে মায়ের হৃদয় কেঁপে উঠত।
প্রশ্ন 37: ‘পল্লিজননী’ কবিতায় মায়ের প্রধান বেদনা কী ছিল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: টাকার অভাবে সন্তানের মুখে দুটি দুধ বা ওষুধ তুলে দিতে না পারার বুকফাটা দীর্ঘশ্বাসই কবিতার মূল সুর।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ৭. পল্লিজননী
- মূল উৎস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত শোক ও বেদনামথিত কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’।
- মূল প্রেক্ষাপট: রুগ্ন সন্তানের শিয়রে বসে এক নিস্ব সহায়হীন দরিদ্র পল্লী মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ ও শঙ্কা।
- অভাবের চিত্র: ঘরে আলো জ্বালানোর তেলের অভাব, ওষুধ-পথ্যের অভাব, সন্তানের সামান্য নাটাই ও লাটিমের শখ।
- প্রাকৃতিক আবহ: কুয়াশাচ্ছন্ন নিস্তব্ধ রাত, হুতুমপেঁচার অমঙ্গলধ্বনি এবং বাঁশবাগানের শিরশির হাওয়া।
৮. রানার — সুকান্ত ভট্টাচার্য (Runner Poem MCQ Solution)
প্রশ্ন 38: ‘রানার’ কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কিশোর কবি সুকান্তের কালজয়ী বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ থেকে এটি গৃহীত।
প্রশ্ন 39: রানার রাতে ছুটে চলার সময় হাতে কী নিয়ে চলত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: ঘুটঘুটে অন্ধকার বনবাদাড় পাড়ি দিতে রানারের এক হাতে থাকত সামান্য লণ্ঠন এবং অন্য হাতে চিঠির থলি।
প্রশ্ন 40: রানারকে কবি কিসের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: রানার হলো সমাজের সেই আত্মত্যাগী কর্মবীর, যার ঘামে সভ্যতা চলে অথচ যে আজীবন নিঃস্ব থাকে।
প্রশ্ন 41: রানার নিজের ঘরে ফেলে আসা রুগ্ন স্ত্রীর জন্য কী রেখে আসে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: রানার সারা বিশ্বের মিলনবার্তা বয়ে বেড়ালেও তার নিজের স্ত্রী চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরে।
প্রশ্ন 42: কবির মতে রানারের এই অন্তহীন অন্ধকারের ক্লান্তি কখন দূর হবে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: সুকান্ত সাম্যবাদী সমাজের ভোরের সোনালী রোদের প্রত্যাশায় রানারকে এগিয়ে যেতে বলেছেন।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ৮. রানার
- মূল উৎস: কিশোর বিপ্লবী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অমর কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’।
- রানার-এর পরিচয়: ডাকহরকরা, যিনি কাঁধে চিঠির বোঝা আর হাতে লণ্ঠন নিয়ে রাতের আঁধারে অবিরাম ছুটে চলেন।
- চরম বৈপরীত্য: রানার হাজারো মানুষের সুখ-দুঃখের বার্তা বহন করে কিন্তু তার নিজের ঘরেই থাকে অনাহার ও অসুস্থ স্ত্রীর হাহাকার।
- কবির আশাবাদ: ‘এ দুঃখের রাত শেষ হবে, সকালে নতুন সূর্য উঠবে।’ মেহনতি মানুষের মুক্তির স্বপ্ন।
৯. তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা — শামসুর রাহমান (Tomake Pawar Jonne Shadhinota MCQ)
প্রশ্ন 43: ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রচিত অমর কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’ এটি চয়ন করা হয়েছে।
প্রশ্ন 44: স্বাধীনতা অর্জনের জন্য কার সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: হানাদার বাহিনীর বর্বর হামলায় স্বামীহারা হরিদাসীর সিঁথির পবিত্র সিঁদুর রক্তের বন্যায় মুছে গিয়েছিল।
প্রশ্ন 45: শহরের রাস্তায় জিপ ও লরির চাকা কার বুকের ওপর চলে গিয়েছিল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: সাধারণ রিকশাচালক রুস্তম শেখের মেহনতি বুকটাকে ঘাতকরা বুলেট ও গাড়ির চাকায় পিষে দিয়েছিল।
প্রশ্ন 46: বিধ্বস্ত পাড়ায় পোড়া ভিটায় দাঁড়িয়ে কোন প্রাণীটি আর্তনাদ করছিল?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: মানবশূন্য পোড়া ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে অবোধ একটি কুকুর স্বজন হারানোর হাহাকারে আকাশ কাঁপিয়ে আর্তনাদ করছিল।
প্রশ্ন 47: কবিতার শেষ চরণে কবি স্বাধীনতা সম্পর্কে কী প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেছেন, পৃথিবীর কোনো শক্তিই ৩০ লাখ শহীদের রক্তের স্বাধীনতাকে রুখতে পারবে না।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ৯. তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা
- মূল উৎস: নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’।
- ঐতিহাসিক পটভূমি: ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যা।
- চরিত্রসমূহ: সাকিনা বিবির কপালের সিঁদুর মুছা, হরিদাসীর সিঁথির সিঁদুর মুছে যাওয়া, তেজি তরুণ রুস্তম শেখ ও অনাথ অবোধ শিশু।
- অমোঘ ঘোষণা: ‘তোমাকে পেতেই হবে, হে স্বাধীনতা।’ কোটি বাঙালির চূড়ান্ত আত্মত্যাগ।
১০. সাহসী জননী বাংলা — কামাল চৌধুরী (Shahoshi Jononi Bangla MCQ Solution)
প্রশ্ন 48: ‘সাহসী জননী বাংলা’ কবিতাটি কামাল চৌধুরীর কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে গৃহীত?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: কবির বহুল প্রশংসিত জাতীয়তাবাদী ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ ‘ধূলি ও সাগর দৃশ্য’ থেকে এটি সংকলিত।
প্রশ্ন 49: কবিতায় ‘অসুর’ বা ‘দানব’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: হানাদার বাহিনীকে তাদের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ও পৈশাচিক আচরণের কারণে অসুর ও দানব বলা হয়েছে।
প্রশ্ন 50: বাঙালি জাতিকে কবি একসময় কী জাতি বলে উল্লেখ করেছেন?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: বাঙালি শান্ত প্রকৃতির হলেও আক্রান্ত হলে যে তারা সিংহের বিক্রমে প্রতিরোধ গড়ে তোলে—এটিই মূল মাহাত্ম্য।
প্রশ্ন 51: ‘মুক্ত হলো স্বদেশ’—চরণটিতে কিসের অবসান ঘটেছে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: ১৬ই ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে হানাদারদের ৯ মাসের নারকীয় বর্বরতার চির অবসান ঘটে।
প্রশ্ন 52: সাহসী জননী বাংলার সন্তানেরা স্বাধীনতা এনেছিল কীভাবে?
সঠিক উত্তর ও প্রমিত ব্যাখ্যা দেখতে ক্লিক করুন
বিশ্লেষণ: বাঙালি তরুণরা হাসিমুখে জীবন বিসর্জন দিয়ে মুক্তিসংগ্রামের বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল।
এক্সক্লুসিভ ছন্দ ও মূলভাব নোটস — ১০. সাহসী জননী বাংলা
- মূল উৎস: কবি কামাল চৌধুরীর বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ ‘ধূলি ও সাগর দৃশ্য’।
- মূল ভাব: অসুর এবং দানবের মতো বর্বর পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে বীর বাঙালির প্রতিরোধ ও চরম বিজয়।
- বাঙালির ঐতিহ্য: বাংলা কেবল শান্ত ও ভীরুর দেশ নয়, আঘাত এলে বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ার অদম্য সাহসী জননী।
- বিজয়ের রূপ: ‘অসুর নৃত্য সমাপ্ত হলো, মুক্ত হলো স্বদেশ।’ বীরাঙ্গনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তে রাঙানো লাল-সবুজ পতাকা।
সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় সাজেশন্স ও স্টাডি গাইড (Topic Silo Links):
অফিসিয়াল তথ্যাবলী ও প্রাসঙ্গিক নীতিমালার জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড অফিসিয়াল পোর্টাল ভিজিট করতে পারেন।
